প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪২ পিএম

যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার বয়সসীমা কমিয়ে ১৬ করা হয়েছে। নতুন এই আইন পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের আগেই কার্যকর হবে, ফলে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীরাও এবার ভোট দিতে পারবে।
সরকার জানিয়েছে, অনেক তরুণ ইতিমধ্যে কাজ করছে, ট্যাক্স দিচ্ছে, এমনকি সেনাবাহিনীতেও যোগ দিচ্ছে—তাই তাদের ভোটাধিকার দেওয়া ন্যায্যতার প্রতিফলন।
স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসে আগে থেকেই স্থানীয় নির্বাচনে ১৬ বছরের ভোটাধিকার থাকলেও এবার তা গোটা যুক্তরাজ্যে চালু হচ্ছে। একইসঙ্গে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে ‘স্বয়ংক্রিয় রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা’ চালু করা হচ্ছে, যাতে নাগরিকদের বারবার তথ্য দিতে না হয়।
ভোটার পরিচয়পত্রের তালিকায় নতুন করে ব্যাংক কার্ড ও ভেটেরান্স কার্ড যুক্ত হচ্ছে, যাতে আরও বেশি মানুষ সহজে ভোট দিতে পারে।
বিদেশি অর্থপ্রবাহ ঠেকাতে নতুন নিয়মে কোম্পানিকে প্রমাণ করতে হবে তাদের প্রকৃত ব্যবসা যুক্তরাজ্য বা আয়ারল্যান্ডে। “নো ইয়োর ডোনার” নীতিতে দাতার পরিচয় যাচাই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ভুল তথ্য দিলে পাঁচ লক্ষ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা এবং ফৌজদারি অপরাধে গণ্য হবে।
প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাড়াতে বাড়ির ঠিকানা প্রচারপত্রে দেওয়া বাধ্যতামূলক থাকছে না। হুমকি বা হয়রানিকে ‘অতিরিক্ত গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে দেখা হবে। এমন অপরাধে দোষী ব্যক্তির ভবিষ্যতে প্রার্থী হওয়াও নিষিদ্ধ করা হবে।
সরকারের ভাষ্যমতে, এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ এবং তরুণদের অংশগ্রহণমুখী করে তোলা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























