প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
বুধবার (৯ জুলাই) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর অ্যামনেস্টির দক্ষিণ এশিয়া শাখা এই আহ্বান জানায়। ওই প্রতিবেদনে একটি ফাঁস হওয়া অডিও বিশ্লেষণ করে দাবি করা হয়, আন্দোলন দমনে সরাসরি গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অ্যামনেস্টির বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে বাংলাদেশের বিক্ষোভে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নতুন তথ্য সামনে এনেছে বিবিসির প্রতিবেদন। এতে দেখা যায়, বিক্ষোভ দমনে সহিংস পন্থা নেওয়ার নির্দেশ উচ্চপর্যায় থেকেই দেওয়া হয়েছিল।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘের এক তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই সময়ের বিক্ষোভে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হতে পারেন। অধিকাংশই নিহত হন নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত ছররা ও সামরিক ধরনের অস্ত্রের গুলিতে। এছাড়া আরও বহু মানুষ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, যার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
অ্যামনেস্টি বলেছে, এসব ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত জরুরি। যারা সরাসরি সহিংসতায় জড়িত ছিলেন বা নির্দেশ দিয়েছেন, সবাইকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডবিহীন বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে হবে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, জাতিসংঘের সুপারিশ অনুযায়ী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেন রোম সনদের ১৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে—এই আহ্বান আমরা আবারও জোর দিয়ে জানাচ্ছি।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























