প্রকাশ: ৪ জুন ২০২৫, ০৩:৪৪ পিএম

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে টানা ১০ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন লাখো মানুষ। এতে শহরের বাসাবাড়ি ও অফিস ফাঁকা হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, মহাসড়কেও যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির আতঙ্ক।
বাসচালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, মহাসড়কে পুলিশের উপস্থিতি দুর্বল, ফলে যাত্রীবেশী ডাকাতদল মাঝরাতে বাস থামিয়ে লুটপাট করছে। কক্সবাজার, টাঙ্গাইল, যমুনা সেতু, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় এরই মধ্যে ডাকাতির একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এমনকি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সও রেহাই পায়নি।
এ পরিস্থিতিতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনী। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, তিন ধাপে (ঈদ পূর্ব, চলাকালীন ও পরবর্তী) নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বসানো হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট, বাড়ানো হয়েছে টহল ও সিসিটিভি মনিটরিং।
ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং ২০টি পশুর হাটে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে র্যাব জানিয়েছে, তারা গোয়েন্দা কার্যক্রম, মোবাইল টহল ও সাইবার নজরদারি জোরদার করেছে।
তবে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, দেড় কোটির বেশি মানুষ এবার ঢাকা ছাড়বে, তাই এত বিশাল মানুষের নিরাপত্তা শুধু বাহিনী বাড়িয়ে সম্ভব নয়। সমন্বিত উদ্যোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ছাড়া অপরাধ রোধ কঠিন।
অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হকের মতে, উৎসবকেন্দ্রিক অপরাধের লাগাম টানতে এখনই প্রয়োজন প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেমন—সিসি ক্যামেরা সক্রিয় করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আলোর ব্যবস্থা, বাড়ির প্রহরীদের তথ্য থানায় জমা রাখা এবং টহল জোরদার করা।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























