প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৫, ০৪:২৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন স্টুডেন্ট ও এক্সচেঞ্জ ভিসার আবেদন আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বজুড়ে সব মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের পাঠানো একটি মেমোয় উল্লেখ করা হয়েছে, “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।” তবে যেসব শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকারের সময় আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল, তারা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি নথিতে বলা হয়েছে, সব ধরনের স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাইয়ের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, “কে আমাদের দেশে প্রবেশ করছে, তা যাচাইয়ের বিষয়টিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। এই প্রক্রিয়া আরও কঠোরভাবে চালানো হবে।”
এসব পদক্ষেপ থেকে ধারণা করা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও জটিল ও কঠিন হতে চলেছে। বিশেষ করে তাদের অনলাইন কার্যক্রম ও সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতির ওপর এবার থেকে বাড়তি নজরদারি চালানো হবে।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময় এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে বামপন্থী মতাদর্শ প্রচার, ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানো এবং ভর্তিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলছে।
এ প্রেক্ষাপটে প্রশাসন ইতোমধ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকশো মিলিয়ন ডলারের সরকারি তহবিল বন্ধ করেছে এবং বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আমন্ত্রণ জানানোর ক্ষমতা সাময়িক স্থগিত করেছিল। যদিও আদালতের হস্তক্ষেপে তা কার্যকর হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন নিষেধাজ্ঞা কেবল আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং পুরো মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে। কারণ, বিদেশি শিক্ষার্থীরা সাধারণত মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি টিউশন ফি দিয়ে থাকেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক সঙ্গতির অন্যতম ভিত্তি।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























