প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:৫৩ পিএম

জাকাত ইসলামের মূল স্তম্ভের অন্যতম এবং এটি একটি আর্থিক ইবাদত, যা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। পবিত্র মাহে রমজান আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দেয়, যাতে আমরা বেশি বেশি ইবাদত ও দান-খয়রাত করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারি। এই সময়ে বিশেষভাবে জাকাত প্রদান করা হয়, যা সমাজের দরিদ্র ও অসহায়দের সাহায্য করে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মহান জাকাতের খাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এ খাত ছাড়া অন্য কোথাও জাকাত দেয়া জায়েজ নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন:
اِنَّمَا الصَّدَقٰتُ لِلْفُقَرَآءِ وَ الْمَسٰکِیْنِ وَ الْعٰمِلِیْنَ عَلَیْهَا وَ الْمُؤَلَّفَةِ قُلُوْبُهُمْ وَ فِی الرِّقَابِ وَ الْغٰرِمِیْنَ وَ فِیْ سَبِیْلِ اللّٰهِ وَ ابْنِ السَّبِیْلِ ؕ فَرِیْضَةً مِّنَ اللّٰهِ ؕ وَ اللّٰهُ عَلِیْمٌ حَكِیْمٌ
অর্থ: “জাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্ত ও জাকাতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য, যাদের মনোরঞ্জন উদ্দেশ্য তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জিহাদকারী ও মুসাফিরের জন্য। এ আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।” (সূরা তওবা: ৬০)
যাদেরকে জাকাত দেয়া যাবে:
১. দরিদ্র (ফকির):
যে ব্যক্তি সম্পদহীন, এমনকি তার কাছে একদিনের খোরাকীও নেই, এমন ব্যক্তিকে জাকাত দেয়া যাবে। শরিয়তের দৃষ্টিতে তাকে দরিদ্র (ফকির) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- অর্থবিত্তের মালিক (ধনী):
যে ব্যক্তির কাছে সোনা-রূপা, টাকা-পয়সা, ব্যবসায়ের মাল-মত, বা নিসাব পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, তাকে জাকাত দেয়া যাবে না। তাকে শরিয়তের দৃষ্টিতে ধনী হিসেবে গণ্য করা হয়। - অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মালিক:
যদি কোনো ব্যক্তির কাছে জাকাতযোগ্য সম্পদ নিসাব পরিমাণ না থাকে, কিন্তু বাড়িতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত আসবাবপত্র, পোশাক, জুতা, ঘর সাজানোর সামগ্রী ইত্যাদি থাকে, তবে তাকে জাকাত দেয়া যাবে না।
এই নির্দেশনা মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক হাদিস ৭১৫৬-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























