প্রকাশ: ২ জুন ২০২৫, ০৪:৩৪ পিএম

কোরবানি ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার মাধ্যমে একজন মুমিন আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার চেষ্টা করেন। নির্দিষ্ট দিনে, সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে মনে রাখা জরুরি—শুধু অর্থ ব্যয় করলেই কোরবানির মূল উদ্দেশ্য পূর্ণ হয় না। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি করতে হবে; তবেই তা কবুল হওয়ার আশা করা যায়।
যদি কোরবানির পেছনে উদ্দেশ্য হয় লোক দেখানো, কম খরচে বেশি গোশত পাওয়া বা অন্য কোনো দুনিয়াবি লাভ, তাহলে এমন কোরবানি আল্লাহর দরবারে গৃহীত হবে না। তবে কোরবানির পর নিজেরা গোশত খাওয়ার ইচ্ছা থাকা বৈধ এবং এতে কোরবানি অশুদ্ধ হয় না। (সূরা হজ: ৩৭; মুসনাদে আহমদ: ২২৯৮৪)
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বললেন, “হে আয়েশা, ছুরিটা দাও।” এরপর বললেন, “এটা পাথরে ঘষে ধারালো করো।” আয়েশা (রা.) তা করলেন। তারপর নবীজি (সা.) ছুরি নিয়ে একটি দুম্বাকে শোয়ালেন এবং জবাই করার সময় বললেন:
“বিসমিল্লাহ। হে আল্লাহ! এ কোরবানি মুহাম্মদ, মুহাম্মদের পরিবার এবং তার উম্মতের পক্ষ থেকে কবুল করে নিন।”
(আবু দাউদ: ২৭৯২)
এ থেকেই বোঝা যায়, নবীজি (সা.)-এর কোরবানি ছিল একান্তভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। তাঁর আমল আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























