প্রকাশ: ৬ মার্চ ২০২৫, ০৩:৩৮ পিএম

রমজান মাসে রোজা রাখা প্রত্যেক সুস্থ মুসলিমের উপর ফরজ এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এই মাসের একটি রোজা পূর্ণ বছরের রোজার চেয়েও অধিক সওয়াব এনে দেয়। তাই রোজা না রাখা বা ভেঙে ফেলা যথেষ্ট গুরুতর বিষয়।
এন্ডোসকপি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে, ফিকহবিদরা বলেন, যদি এই পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কোনো তরল (যেমন পানি বা ওষুধ) শরীরে প্রবেশ করানো হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে। তবে, যদি পরীক্ষা শুধু পর্যবেক্ষণমূলক হয় এবং কোনো কিছু শরীরে প্রবেশ না করানো হয়, তাহলে রোজা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
এন্ডোসকপির ক্ষেত্রে একই বিধান প্রযোজ্য হবে যদি মলদ্বারের মাধ্যমে কোনো টিউব প্রবেশ করানো হয়। তবে বিশেষভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়, এমন ধরনের পরীক্ষা দিনের পরিবর্তে রাতে করা হলে ভালো। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ১/২০৪, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৩৯৬)
অন্যদিকে, আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না, কারণ এতে ব্যবহৃত যন্ত্র ও ঔষধ শরীরের বাইরের অংশে থাকে এবং কোনো কিছু ভেতরে প্রবেশ করা হয় না। (হেদায়া)
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























