প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪০ পিএম

লেবার পার্টিতে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন দলনেতা কিয়্যার স্টারমার। সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ায় চারজন এমপিকে হুইপ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরা হলেন: র্যাচেল মাস্কেল, নেইল ডানকান-জর্ডান, ব্রায়ান লেইশম্যান এবং ক্রিস হিঞ্চলিফ।
বহিষ্কৃতরা মূলত কল্যাণভিত্তিক পরিকল্পনায় কাটছাঁট, যেমন শীতকালীন জ্বালানি ভাতা ও প্রতিবন্ধীদের সুবিধা হ্রাসের বিরোধিতা করে পার্লামেন্টে ভিন্নমত দিয়েছিলেন। পরিবেশবিরোধী একটি বিলের বিরুদ্ধেও হিঞ্চলিফ সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
এছাড়া, রোসেনা অলিন-খান, বেল রিবেইরো-অ্যাডি এবং মোহাম্মদ ইয়াসিন—এই তিন এমপিকে বাণিজ্য দূতের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ একবারই সরকারের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
দলের অভ্যন্তরে এই পদক্ষেপ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এক বামপন্থী এমপি একে ‘ভয়ের সংস্কৃতি’ তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বহিষ্কৃত এমপিরা জানিয়েছেন, তারা লেবার পার্টিতে থেকে জনগণের পক্ষে কাজ চালিয়ে যেতে চান।
তিনজন বহিষ্কৃত এমপি ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তারা লেবারের ঐতিহ্যবাহী আসন থেকে বিজয়ী হননি।
এর আগেও, দুই সন্তান সীমা বিল বাতিলের পক্ষে ভোট দেওয়ায় সাতজন এমপির হুইপ প্রত্যাহার করেছিলেন স্টারমার, যাদের অনেকেই করবিনঘেঁষা বাম রাজনীতির অনুসারী ছিলেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেবার পার্টিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হুইপ প্রত্যাহারের পর পার্টির চেয়ার জেসিকা মরডেন এমপিদের ‘রিল্যাক্সিং ছুটি’ কামনা করে পাঠানো ইমেইল আরও বিতর্কের জন্ম দেয়।
ফায়ার ব্রিগেডস ইউনিয়নের প্রধান স্টিভ রাইট এই সিদ্ধান্তকে “কর্তৃত্ববাদী ও বিপজ্জনক” পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























