প্রকাশ: ১ জুন ২০২৫, ০৫:৫২ পিএম

টানা ভারি বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট শহর ও আশপাশের চার উপজেলার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে বহু ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
শনিবার (৩১ মে) দুপুর পর্যন্ত নগরীর জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, শাহপরাণ, মেজরটিলা, রিকাবিবাজার, কালিঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। এমনকি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কলেজ ভবনের নিচতলা ডুবে যাওয়ায় চিকিৎসা সেবায়ও বিঘ্ন ঘটছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য বড় ধরনের বন্যা মোকাবিলায় ৫৮২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশনও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও তা কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ১৩২ মিমি এবং শনিবার দুপুর পর্যন্ত আরও ১৬৪ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের নিচু এলাকাগুলো ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বেশ কিছু সড়কে পানি ওঠায় যান চলাচলেও বিঘ্ন দেখা দিয়েছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. শের মোহাম্মদ মাহবুব মুরাদ জানিয়েছেন, “এখনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি, তবে সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























