প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৫, ০৪:৩৭ পিএম

যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগে মামলা হয়েছে, যা ‘ধর্ম অবমাননা আইন পুনঃপ্রবর্তনের’ শামিল বলে দাবি করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।
৫০ বছর বয়সী হামিত কসকুন গত ১৩ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে তুর্কি কনস্যুলেটের বাইরে কোরআনের একটি অনুলিপি জ্বালিয়ে “ইসলাম সন্ত্রাসবাদের ধর্ম” বলে চিৎকার করেন।
তার বিরুদ্ধে ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে অনুপ্রাণিত জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের উদ্দেশ্যে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ’ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি একজন নাস্তিক এবং তার শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার রয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী কেটি থর্ন বলেন, এই মামলাটি কার্যত ইসলাম ধর্মের জন্য একটি বিশেষ ব্লাসফেমি আইন চালু করার চেষ্টা। তিনি যুক্তি দেন, কোরআন পোড়ানোকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা বাকস্বাধীনতার বিরোধী।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, বিষয়টি শুধুমাত্র কোরআন পোড়ানোর নয়, বরং এটি জনশৃঙ্খলার জন্য স্পষ্ট হুমকি তৈরি করেছিল এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সীমা অতিক্রম করেছে।
বিচারক মামলার আবেদন খারিজ করে দেন এবং বলেন, প্রসিকিউশন কোনো অপব্যবহার করেনি।
হামিত কসকুন, যিনি তুরস্কে জন্ম নেওয়া আধা-কুর্দি ও আধা-আর্মেনিয়ান, দাবি করেন তিনি তুরস্কের ইসলামপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। তার আইনগত সহায়তা দিচ্ছে ফ্রি স্পিচ ইউনিয়ন এবং ন্যাশনাল সেকুলার সোসাইটি।
মামলার রায় পরে ঘোষিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























