প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৩৮ পিএম

যুক্তরাজ্যে বসবাসকারীদের জন্য আসছে কয়েকটি দিন হতে পারে অস্বস্তিকর, বিশেষ করে যাঁরা হে ফিভার বা পরাগ অ্যালার্জিতে ভুগছেন। দেশটির আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গুড ফ্রাইডে থেকে শুরু করে মঙ্গলবার পর্যন্ত বাতাসে পরাগরেণুর মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া বিভাগ আশঙ্কা করছে, এই সময়টিতে দেশজুড়ে ‘পরাগ বোমা’ আকারে পরাগরেণুর ঘনত্ব অনেক বেশি হবে, যা অনেকের হাঁচি, চোখ চুলকানো, শ্বাসকষ্টসহ নানা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়াতে পারে। এ কারণে সবাইকে সতর্ক থাকা এবং দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যেন ঘরের ভেতরে পরাগ না ঢুকে।
চিকিৎসকদের মতে, হে ফিভার সাধারণ ঠান্ডার মতো নয়। এটি তখনই হয়, যখন শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা পরাগকে ক্ষতিকর মনে করে প্রতিক্রিয়া শুরু করে। এর ফলে হাঁচি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া বা চুলকানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
ডা. অ্যালেক্সিস মিসিক, যিনি ইউকে মেডস-এর চিকিৎসক, জানান যে হে ফিভারের উপসর্গ অ্যালার্জির উৎস যতদিন বাতাসে থাকে, ততদিন থাকতে পারে। বসন্তে গাছের পরাগ, গ্রীষ্মে ঘাসের এবং শরতে আগাছার পরাগ বেশি ছড়ায়। এছাড়া আর্দ্র ও উষ্ণ পরিবেশে ছত্রাকের স্পোরও বাতাসে ছড়াতে পারে, যা অনেকের জন্য সমস্যার কারণ হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাঁরা হে ফিভারে ভোগেন, তাঁদের উচিত যতটা সম্ভব ঘরে থাকা এবং বাইরের বাতাস ও ধুলাবালি থেকে নিজেকে রক্ষা করা। একই সঙ্গে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে পরাগরেণু ঘরের মধ্যে না আসে।
সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থাগুলিও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























