প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৫, ০৬:১২ পিএম

করোনাভাইরাস আবারও নতুন রূপে ফিরে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ বাড়ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। এর পাশাপাশি ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
গত ৫ জুন দেশে একজন নতুন করে করোনায় মারা গেছেন। এতে করে দেশে করোনা-সম্পর্কিত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০০ জনে। এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২০ লাখ ৫১ হাজার জন। সংক্রমণের হার আবারও বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্কতা জারি করেছে।
অন্যদিকে, চলতি বছরের ১১ জুন একদিনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা এ বছরের সর্বোচ্চ। ১২ জুন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪১১ জনে। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। গত বছরের তুলনায় এবার আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি হলেও মৃতের সংখ্যা কিছুটা কম।
করোনা ঠেকাতে জনসমাগমস্থলে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর, মেট্রোরেল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা স্ক্যান করা হচ্ছে এবং মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম ও থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে মশা বাড়ছে, যা ডেঙ্গু বিস্তারে সহায়ক। স্থানীয় সরকারগুলোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়াও এ সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ।
বর্তমানে করোনা, ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাই এই সময় জ্বরকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, একসাথে এতগুলো জ্বরজনিত রোগ ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে। সঠিক চিকিৎসা না নিলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।
আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, জ্বর হলে তিন দিন বিশ্রামে থাকা উচিত। যদি জ্বর কমে যায়, ভালো। তবে যদি না কমে, কিংবা প্রচণ্ড জ্বর হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























