প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৫, ০৫:৪৫ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে আবারও তদন্ত চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো পরিচালিত এই অভিযানে মূলত তিনটি বিষয়ে তদন্ত করা হয়—তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেটের বাছাইপর্ব, নতুন গঠনতন্ত্র এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা।
চার সদস্যের একটি তদন্ত দল সোমবার বিসিবিতে এসে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। প্রাথমিক তদন্তে তৃতীয় বিভাগ লিগের বাছাইপ্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এ প্রসঙ্গে সিসিডিএমকে (সেন্ট্রাল জোন ক্রিকেট কমিটি) দায়ী করা হলেও এখনো কারো নাম নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ বলেন, “তৃতীয় বিভাগের বাছাই আগের তুলনায় অনেক কঠিন করা হয়েছে। ২০২২ সালের পর থেকে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়, যার ফলে মাত্র ২-৩টি দলই অংশ নিতে পারে। এতে প্রতিযোগিতা কমে যায় এবং প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে আসার পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে।”
তিনি আরও জানান, অপ্রয়োজনীয় শর্তারোপের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের খেলোয়াড়দের সুযোগ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বিসিবির গঠনতন্ত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দুদক। আদালতের একটি রায়ের পর বর্তমান গঠনতন্ত্র কার্যকর হলেও দুদকের দাবি, এটি কাঠামোগতভাবে যথাযথ নয়। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষায়, “বিসিবির পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি সুসংগঠিত কাঠামো থাকা উচিত, কিন্তু আমরা সেখানে অনিয়ম দেখেছি। সঠিক চাকরি বিধিমালাও নেই।”
আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে চায় না দুদক। তদন্তকারী দল জানিয়েছে, বিসিবির প্রক্রিয়াগুলো আরও ভালোভাবে বোঝার পর এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চালানো হবে।
সবকিছু যাচাই-বাছাই শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেওয়া হবে, যার ভিত্তিতে ভবিষ্যতের পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com

















