প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৩:৫৮ পিএম

রমজানের শেষ দশকে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমলগুলি আমাদের জন্য বড়ই শিক্ষণীয়। রমজান এমন একটি মাস, যেখানে রহমত, বরকত এবং মাগফিরাত (ক্ষমা) বর্ষিত হয়। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সময়গুলোতে বিশেষভাবে আমল করতেন, যা তাঁর অনুসরণকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে রমজানের শেষ দশকের কিছু প্রধান আমল তুলে ধরা হলো:
- ইবাদতের মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া:
নবীজি রমজানের শেষ দশকে অন্যান্য সময়ের তুলনায় আরও বেশি ইবাদত করতেন। তিনি এমনভাবে আমলে লিপ্ত হতেন, যেমনটা অন্য সময় করেন না। তাঁর ইবাদত ছিল অত্যন্ত নিবিড় ও কঠোর। (আস সুনানুল কুবরা, হাদিস : ৮৩৫১; মুসলিম, হাদিস : ১১৭৫) - পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দেওয়া:
রমজানের শেষ দশকে নবীজি সারা রাত জেগে থাকতেন এবং পরিবারকে ইবাদত করতে জাগিয়ে তুলতেন। এর মাধ্যমে তিনি তাঁর পরিবারকে সঠিক পথের প্রতি উৎসাহিত করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৪) - ইতিকাফ:
নবীজি রমজানের শেষ দশকে মসজিদে অবস্থান করে ইতিকাফ করতেন। ইতিকাফের মাধ্যমে তিনি আল্লাহর ইবাদতের প্রতি একাগ্রতা প্রদর্শন করতেন এবং পবিত্র লাইলাতুল কদরের খোঁজ করতেন। (বুখারি: ২০২৬; সহিহ্ মুসলিম: ১১৭২) - লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করা:
নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করার পরামর্শ দিয়েছেন। (বুখারি, হাদিস: ২০১৭; মুসলিম, হাদিস: ১১৬৯) - বেশি বেশি দোয়া করা:
শেষ দশকে নবীজি বেশি দোয়া করতেন এবং উম্মতকে দোয়া করতে উৎসাহিত করতেন। বিশেষভাবে, লাইলাতুল কদরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, যেমনটি আয়েশা (রা.)-এর বর্ণনায় এসেছে। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫১৩) - সদকাতুল ফিতর আদায় করা:
রমজানের শেষ দশকে সদকাতুল ফিতর প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে ঈদের নামাজের আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারি, হাদিস: ১৫০৩)
এই আমলগুলি আমাদের রমজানের শেষ দশকে অধিক ইবাদত এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ প্রদান করে।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























