প্রকাশ: ৪ জুন ২০২৫, ০৩:৩২ পিএম

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং জাতীয় চার নেতাসহ শতাধিক ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে—বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
বুধবার (৪ জুন) প্রেস উইংয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন, তাই তারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। তবে সে সময় সরকারের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য সহায়তাকারীদের ‘সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে নির্ধারিত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা অনুযায়ীই বাস্তবায়ন হচ্ছে বর্তমান নীতিমালা। তিনি বলেন, “সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা মানে এই নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। বরং ‘সহযোগী’ ও ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’—উভয় শ্রেণির মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা সমান থাকবে।”
সরকার ৩ জুন রাতে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা সংশোধন করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) অধ্যাদেশ জারি করে। নতুন সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা সরাসরি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, কেবল তারাই ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন। এই ঘোষণার পর কিছু সংবাদমাধ্যম শেখ মুজিবসহ অনেক নেতার স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করে, যা সরকার কর্তৃক অস্বীকার করা হয়েছে।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com























