নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কানো রাজ্যতে রমজানের প্রথম দিনেই খাবার খাওয়ার অভিযোগে ৯ জন মুসলিমকে গ্রেপ্তার করেছে ইসলামিক পুলিশ বাহিনী ‘হিসবা’। গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে।
কানো রাজ্যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী বাস করে এবং সেখানে ধর্মনিরপেক্ষ আইনের পাশাপাশি শরিয়াহ আইন কার্যকর রয়েছে। প্রতি বছর রমজান মাসে হিসবা বাহিনী ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও বাজারে অভিযান চালায়। মুসলিমরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখছেন কি না, তা তদারক করাই এসব অভিযানের উদ্দেশ্য। তবে খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে।
হিসবার ডেপুটি কমান্ডার জেনারেল মুজাহিদ আমিনুদ্দিন BBCকে জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সাত পুরুষ ও দুই নারী দাবি করেছেন যে রমজান শুরু হয়েছে—এ বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না। তিনি বলেন, তাদের আটক করা হয়েছে এবং রোজার গুরুত্ব, নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও ভালো মুসলিম হিসেবে জীবনযাপনের বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হবে।
তাদের কবে মুক্তি দেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অতীতে এ ধরনের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে রমজানের বাকি সময় রোজা পালনের নিশ্চয়তা নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হলো রোজা। রমজান মাসে মুসলিমরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকেন। নাইজেরিয়ায় এ বছর রমজান শুরু হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং ২৯ বা ৩০ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। সম্ভাব্য সমাপ্তি ২১ বা ২২ মার্চ।
উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ার উত্তরের ১২টি রাজ্যে প্রায় দুই দশক আগে থেকে শরিয়াহ আইন কার্যকর রয়েছে। রমজান মাসে হিসবা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

























