প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৫, ০৫:২৬ পিএম

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী মনোনয়নে নাটকীয়ভাবে এগিয়ে আছেন অ্যাসেম্বলি সদস্য জোহরান মামদানি। বৈচিত্র্যময় ভোটার জোট—কুইন্স থেকে ব্রুকলিন পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা শ্রমজীবী, অভিবাসী ও তরুণ ভোটারদের সমর্থনে তিনি এই অগ্রগতি অর্জন করেছেন।
৩৩ বছর বয়সী এই ডেমোক্র্যাটিক সোশালিস্ট প্রাথমিক ফলাফল দেখে নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন, যদিও চূড়ান্ত ফল এখনো প্রকাশ হয়নি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী, নিউইয়র্কের সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো পরাজয় মেনে নিয়েছেন।
প্রচারণায় মামদানির প্রধান ইস্যু ছিল নগরের উচ্চ বাসস্থান ব্যয়, শিশু পরিচর্যার খরচ এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান। তিনি বলেন, “পাবলিক স্পেসে একজন মুসলিম হিসেবে দাঁড়ানো মানে নিরাপত্তা ত্যাগ করা।”
মামদানি নির্বাচিত হলে হবেন নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র—যা শহরের প্রায় ১০ লাখ মুসলমানের মধ্যে আশাবাদের সৃষ্টি করেছে।
তিনি ফিলিস্তিন ইস্যুতে সরব এবং ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের কারণে বিতর্কিত হলেও স্পষ্ট করে বলেছেন, “জায়নবাদের সমালোচনা মানেই ইহুদিবিদ্বেষ নয়।” ঘৃণাজনিত অপরাধ প্রতিরোধে বাজেট বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
তাকে ঘিরে বিতর্ক ছড়ায় যখন তিনি এক পডকাস্টে “গ্লোবালাইজ দ্য ইনতিফাদা” স্লোগান নিয়ে সরাসরি আপত্তি জানাননি, যা অনেক ইহুদি ভোটার সহিংসতার ডাক হিসেবে দেখেন। তা সত্ত্বেও মামদানির সমর্থন বেড়েছে—বিশেষ করে সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে থাকা, উচ্চ ব্যয়বহুল জীবনের বিরুদ্ধে পরিবর্তন চাওয়া ভোটারদের মধ্যে।
নিউইয়র্ক এখন নজর রাখছে সম্ভাব্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের দিকে—যেখানে একজন মুসলিম, অভিবাসীবংশোদ্ভূত তরুণ রাজনীতিক শহরের নেতৃত্ব নিতে যাচ্ছেন।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























