প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৪৪ পিএম

গত বছর থেকে যুক্তরাজ্যের কিছু অঞ্চলে দাবানলের পরিমাণ ১,২০০% বেড়েছে। বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদী সংস্থাগুলো বলছে, এর ফলে পুরো পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বন্যপ্রাণী ও পাখির আবাসস্থল পুড়ে গেছে।
ওয়েলসের আবারগওয়েসিন কমন নামক অঞ্চলে ১,৬০০ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। এটি ছিল একটি বিশেষ সুরক্ষিত অঞ্চল, এবং এখানে বিরল পাখি গোল্ডেন প্লোভার-এর শেষ পরিচিত আবাসস্থল ছিল। এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই পাখিটি হয়তো এখান থেকে পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
ন্যাশনাল ট্রাস্ট এর কর্মকর্তা ক্রিস স্মিথ জানান, দাবানলে পাখির বাসা, পোকামাকড়, উভচর প্রাণী এবং সরীসৃপ পুড়ে গেছে, যার ফলে পুরো বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, আগুনে পিট মাটি পুড়ে যাওয়ায় সেটি পুনরুদ্ধারে শত শত বছর লাগতে পারে।
২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সাউথ ওয়েলস এলাকায় ৪৪৫টি দাবানল ঘটেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১,২০০% বেশি। পুরো ওয়েলসে ১,৩০০টিরও বেশি ঘাসের আগুন নেভাতে হয়েছে।
এছাড়া, উত্তর আয়ারল্যান্ড-এও আগুনের কারণে অনেক ছোট প্রাণী ও পাখির আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ছোট হিথ প্রজাপতি, বিটল, স্কাইলার্ক পাখি, এবং পেরেগ্রিন ফ্যালকন।
ন্যাশনাল ট্রাস্ট বলছে, তারা জলধারণ ক্ষমতা বাড়াতে ও পরিবেশ রক্ষা করতে আর্দ্র ভূমি তৈরি এবং জল ধরে রাখার প্রকল্প চালাচ্ছে।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, এসব দাবানল জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাবের প্রমাণ। WWF বলেছে, এই আগুনগুলো “জলবায়ু ও প্রকৃতির সংকট” আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
জাতীয় অগ্নিনির্বাপক পরিষদ জানিয়েছে, আগামীতেও এমন দুর্যোগ মোকাবেলায় বড় পরিসরে ও দীর্ঘমেয়াদে সরকারি পদক্ষেপ প্রয়োজন।
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























