প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৫, ০৬:০০ পিএম

সিলেটের বিশ্বনাথ ও গোয়াইনঘাট উপজেলায় সদ্যঘোষিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয় কমিটি গঠনের একদিন পরই পদত্যাগ করলেন তিনজন নেতা। শনিবার (১২ জুলাই) কমিটি ঘোষণার পর রোববার (১৩ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীরা হলেন:
রুহুল আমিন – বিশ্বনাথ উপজেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী
মো. শাহেদ আহম্মেদ – বিশ্বনাথ উপজেলা কমিটির সদস্য
ফাহিম আহমদ (ফাহিম মোনায়েম) – গোয়াইনঘাট উপজেলা কমিটির সদস্য
শনিবার এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের যৌথ স্বাক্ষরে দুই উপজেলার কমিটি অনুমোদন করা হয়।
বিশ্বনাথ উপজেলায় ঘোষিত ১৭ সদস্যের কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয় ডা. সুলেমান খানকে। রুহুল আমিন হন যুগ্ম সমন্বয়কারী এবং শাহেদ আহম্মেদকে রাখা হয় সদস্য হিসেবে।
রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দেওয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে রুহুল আমিন লেখেন,
“বিশ্বনাথ উপজেলার এনসিপির নবগঠিত কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি যুগ্ম সমন্বয়কারী পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।”
একই ধরনের স্ট্যাটাসে শাহেদ আহম্মেদও জানান, তিনি রাজনীতি করেন না, বরং লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। তার বক্তব্য,
“কমিটিতে আমার নাম দেখে আমি নিজেই অবাক হয়েছি। কেউ আমার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। পরিচিত নাম হওয়ায় হয়তো এমনটা হয়েছে।”
অন্যদিকে, গোয়াইনঘাট উপজেলা কমিটির ১০ নম্বর সদস্য ফাহিম আহমদ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তিনি বলেন,
“আমাকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় ধন্যবাদ, তবে ব্যক্তিগত কারণে আমি নিজ ইচ্ছায় কমিটি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।”
পরে ফাহিমের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে একজন অপরিচিত ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে জানান, তিনি ফাহিম নন এবং লাইন কেটে দেন। এরপর তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে এনসিপি সিলেট জেলার প্রধান সমন্বয়কারী নাজিম উদ্দীন শাহান বলেন, “আমার জানা মতে গোয়াইনঘাট থেকে একজন পদত্যাগ করেছেন। বাকিদের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কিছু জানা যায়নি। তবে যাদের কমিটিতে রাখা হয়েছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কেউ যদি পছন্দসই পদ না পেয়ে সরে যায়, সেটা দুঃখজনক।”
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
© thegalaxynews.com
























